এই স্থানে চিরকুটে লিখে রেখে গেলে অশরীরীরা তাদের বিপদ থেকে রক্ষা করে
দি নিউজ লায়নঃ কৃষ্ণপক্ষের রাতে বাতাসে নাকি মিশে থাকে অতৃপ্ত আত্মার দীর্ঘশ্বাস! এখানে মেয়েরাই এলেই অস্বাভাবিক আচরণ করে। এটি নাকি অভিশপ্ত, এমনটাই প্রচলিত রয়েছে।
এই কোটলা তৈরি করেন সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক। তবে নির্মাণের পর থেকেই নাকি সেখানে মহিলাদের উপর চলতো অকথ্য অত্যাচার। শুধু ভোগ করা নয়, তাদের যন্ত্রনায় ডুবিয়ে সেই আনন্দ উপভোগ করতেন এই সুলতান। দুর্গ ভেঙে যাওয়ার পরও সুলতানের তেজ কমেনি মেয়েদের উপর থেকে। তবে সেই অত্যাচার এখন আর সুলতান করেন না।
তার মৃত্যুর পর এখন দুর্গ দখল করেছে ইবলিস জীন। তাই কোনো মেয়ে সেখানে গেলেই হয় তাকে ভর করে এই জীন নইলে সারাজীবন তাড়িয়ে বেড়ায় তাকে। তবে এই জীনদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে মর্তে এলেন একদল ঈশ্বরের প্রেরিত দূত যাদের মধ্যে প্রধান ছিলেন লাট ওয়ালে বাবা।
সেখানকার ভাষায় লাট মানে স্তম্ভ। কোটলায় রয়েছে এল বিশেষ সৌধ। তার আকৃতি পিরামিডের মতো। একে বলা হয় ‘মিনার-এ-জারিন’। মানুষের ধারণা যে এই বিশেষ স্তম্ভই শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে মানুষকে।

Post a Comment